নিজস্ব প্রতিবেদক | স্বাধীন প্রতিদিন
ডুমুরিয়ার ১৩ নম্বর গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে ভোটারদের আলোচনায় বিশেষভাবে উঠে এসেছে সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান লেলিনের নাম। শিক্ষা, কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও জনকল্যাণের প্রত্যয়—সব মিলিয়ে ইউনিয়নবাসীর একটি অংশ তাঁকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।
মনিরুজ্জামান লেলিন এমএ ও এমবিএ ডিগ্রিধারী এবং সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি খুলনা জেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। গুটুদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিশ্ববিদ্যালয় হল রোড এলাকায় তাঁর ঠিকানা।
গুটুদিয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে রয়েছে তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা, সন্ত্রাস ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধকে তিনি তাঁর কর্মপরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন।
ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ভৌগোলিক ও আয়তনগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ১৩ নম্বর গুটুদিয়া ইউনিয়নকে উন্নয়ন ও মর্যাদার দিক থেকে একটি অনন্য অবস্থানে নিয়ে যেতে চান মনিরুজ্জামান লেলিন। তাঁর পরিকল্পনা—স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনার সমন্বয়ে ধাপে ধাপে ইউনিয়নটিকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা।
শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, নিজের দীর্ঘ কর্মজীবনের শৃঙ্খলিত অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ইউনিয়নের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধান করতে চান তিনি। তাঁর কাছে জনপ্রতিনিধিত্ব কেবল একটি পদ নয়; বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি সুবর্ণসুযোগ ও মহান দায়িত্ব।
ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর উপস্থিতি ও গণসংযোগ মানুষের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতৃত্বের প্রত্যাশায় থাকা ভোটারদের কাছে তাঁর নাম গুরুত্ব পাচ্ছে।
গুটুদিয়ার অনেক মানুষের প্রত্যাশা—পরিবর্তনের যে স্বপ্ন তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে হৃদয়ে লালন করছেন, তা বাস্তবায়নে প্রয়োজন একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও কর্মক্ষম নেতৃত্ব। সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই মনিরুজ্জামান লেলিনকে ঘিরে আশার আলো দেখছেন তাঁরা।
ইউনিয়নবাসীর ভাষ্য, নেতৃত্বের আসল মূল্যায়ন হবে মানুষের জন্য কাজ করার সক্ষমতা দিয়ে। আর সেই পরীক্ষায় শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, সততা ও জনকল্যাণের অঙ্গীকারকে সামনে রেখে মনিরুজ্জামান লেলিন নিজেকে প্রস্তুত করছেন।
মনিরুজ্জামান লেলিনের নিজের কথায়, “আমার সততা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষা—এই ইউনিয়নের কল্যাণে কাজে লাগানোই আমার একমাত্র চাওয়া।”
আর এই প্রত্যয়ই হয়তো গুটুদিয়ার মানুষের মনে নতুন প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে—আগামীর গুটুদিয়া হবে আরও সুন্দর, নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানুষের স্বপ্নপূরণের একটি মডেল ইউনিয়ন।
📰 আরও খবর জানতে ভিজিট করুন:
www.shadinpratidin.com
💬 মতামত দিন | 🔁 বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন