প্রেস বিজ্ঞপ্তি : প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জুয়েলকে নিয়ে সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘দুর্নীতিতে দণ্ডিত অ্যাব নেতা খুলনা ওয়াসার ডিএমডি’ শিরোনামের সংবাদকে ‘সিন্ডিকেটেড মিথ্যাচার’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, খুলনা শাখা। একই সঙ্গে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতারা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জুয়েলের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের নির্মাণত্রুটির ঘটনায় তাকে দায়ী করা হলেও তদন্ত প্রতিবেদনে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। এছাড়া ডিজিটাল হাজিরা সংক্রান্ত নোটিশ পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ প্রত্যাহার করলেও সেই তথ্য প্রতিবেদনে গোপন রাখা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিগত ১৭ বছরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জুয়েল পদোন্নতি বঞ্চিতসহ নানা হয়রানির মুখে পড়েন। এরপরও তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে অবিচল থেকে পেশাজীবীদের সংগঠিত করতে ভূমিকা রাখেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অনিয়মের কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি; বরং অতীতে আনা অভিযোগগুলো সময়ের পরীক্ষায় মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
পেশাজীবী পরিষদ নেতারা বলেন, আংশিক তথ্য প্রকাশ করে বাকি অংশ গোপন রাখা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থী। তারা এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ এবং ভবিষ্যতে সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন— পরিষদের আহ্বায়ক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যক্ষ মাজহারুল হান্নান, সদস্য সচিব ড্যাবের খুমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. সেখ মো. আখতার উজ জামান, অ্যাব সভাপতি প্রকৌশলী ড. খন্দকার আফতাব হোসেন, কৃষিবিদ এস. এম. ফেরদৌস, সাংবাদিক মো. আনিসুজ্জামান, অ্যাডভোকেট মাহফিজুর রহমান মফিজ, ড. আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ পলাশ, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী শাহজাহান আলী, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী ফারুক হোসেন, সাংবাদিক এহতেশামুল হক শাওন এবং প্রফেসর এস. এম. তৌহিদুজ্জামান।
📰 আরও খবর জানতে ভিজিট করুন:
www.shadinpratidin.com
💬 মতামত দিন | 🔁 বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন