
নিজস্ব প্রতিবেদক | স্বাধীন প্রতিদিন
দলীয় সিদ্ধান্তে বহিষ্কৃত কোনো সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নথিপত্র হাতে পাওয়ার পর আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনার বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির আইনগত ভিত্তি দলীয় কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে দল যদি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করে এবং তার মনোনয়ন প্রত্যাহার বা বাতিল করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট আসন শূন্য হওয়ার বিষয়টি আইনগতভাবে বিবেচনায় আসতে পারে।
তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এ বিষয়ে এখনো নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা নথি পৌঁছেনি। তাই অনুমাননির্ভর কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাওয়ার পর সংবিধান, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনা করে কমিশন দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত নেবে। এরপর আইন অনুযায়ী আসন শূন্য ঘোষণা এবং প্রয়োজন হলে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
এর আগে বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ঘোষণার পর তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
📰 আরও খবর জানতে ভিজিট করুন:
www.shadinpratidin.com
💬 মতামত দিন | 🔁 বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন